ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় ব্যক্তিগত তথ্য, ডিভাইস ও অনলাইন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে নিচের কৌশলগুলো অনুসরণ করা উচিত।

1. নিরাপদ ডিভাইস ব্যবহার: নিয়মিত সিকিউরিটি আপডেট পায় এমন Android, iPhone, Windows বা macOS ডিভাইস ব্যবহার করুন। মোবাইলে শক্তিশালী PIN, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা Face ID চালু রাখুন। হারানো ডিভাইস খুঁজে পাওয়ার ফিচারও চালু রাখুন।

2. নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার: Windows-এ Microsoft Defender Antivirus ও Firewall চালু রাখুন। Android-এ Google Play Protect সক্রিয় রাখুন। অপরিচিত বা একাধিক অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ ইনস্টল করার প্রয়োজন নেই

3. বিশ্বস্ত মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার: Google Play Store বা Apple App Store থেকে অ্যাপ ইনস্টল করুন। অজানা ওয়েবসাইটের APK বা ক্র্যাকড অ্যাপ এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজন না থাকলে অ্যাপের Location, Camera ও Microphone ব্যবহারের অনুমতি বন্ধ রাখুন।

4. গুরুত্বপূর্ণ ফিচার চালু রাখুন: সব অ্যাকাউন্টে আলাদা ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড এবং Two-Factor Authentication (2FA) চালু রাখুন। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার আপডেট ও গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ব্যাকআপও চালু রাখুন।

5. নিরাপদ নেটওয়ার্ক ব্যবহার: বাসার Wi-Fi-তে WPA2 বা WPA3 সুরক্ষা এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। অপরিচিত পাবলিক Wi-Fi-তে ব্যাংকিং লেনদেনের বদলে মোবাইল ডেটা ব্যবহার করাই ভালো

6. সন্দেহজনক লিংক ও অ্যাপ এড়িয়ে চলুন: ব্যাংক, কুরিয়ার বা পুরস্কারের নামে আসা লিংকে ক্লিক করার আগে যাচাই করুন। উদাহরণ: “আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হবে—এখনই OTP দিন” এমন বার্তায় সাড়া দেবেন না।

7. ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখুন: OTP, PIN, পাসওয়ার্ড ও ব্যাংকিং তথ্য কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাসার ঠিকানা, পরিচয়পত্র কিংবা অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ এড়িয়ে চলুন।

মনে রাখবেন: কোনো ডিভাইস, অ্যাপ বা নেটওয়ার্কই শতভাগ নিরাপদ নয়। সঠিক নিরাপত্তা সেটিংস ও সচেতন ব্যবহারই অনলাইন ঝুঁকি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।

শিক্ষক বাতায়নঃ teachers.gov.bd/blog/details/852257

 

Share This Story, Choose Your Platform!